প্রচ্ছদ অন্যান্য সোনাগাজীতে প্রতারণার আশ্রয় নিয়ে প্রতিবন্ধির টাকা হাতিয়ে নেওয়ার অভিযোগ

সোনাগাজীতে প্রতারণার আশ্রয় নিয়ে প্রতিবন্ধির টাকা হাতিয়ে নেওয়ার অভিযোগ

199
0

সোনাগাজীতে উপজেলা জাতীয় পার্টির নেতা জাহিদুল হকের বিরুদ্ধে প্রতারণার আশ্রয় নিয়ে মাইশা সুলতানা নামে প্রতিবন্ধির টাকা হাতিয়ে নেওয়ার অভিযোগ উঠেছে। এ ঘটনায় টাকা ফেরত পেতে মঙ্গলবার দুপুরে প্রতিবন্ধি মাইশার নানা হাজী শহিদ আলম সংবাদ সম্মেলন করেছে।

সংবাদ সম্মেলনে তিনি বলেন, চরছান্দিয়া ইউনিয়নের সাহেবেরঘাট সংলগ্ন স্থানে দিয়ারা ৩২ খতিয়ানে ১২০৮ দাগে যাহা বর্তমান হাল বি এস ১২৬৩ নং খতিয়ানে হাল ১৮৬৫ দাগে আমার মালিকীয় ২৫০ শতক ভূমি রয়েছে। আমি ওই ভূমি থেকে আমার নাতনি প্রতিবন্ধি মাইশা সুলতানাকে ৭৯ শতক ও ভাই দুলা মিয়াকে ৬০ শতক ভূমি রেজিষ্ট্রি দলিল মূলে হস্তান্তর করি। যাহার মধ্যে ৬৩ শতক ভূমি অধিগ্রহণ করেন সরকার রাস্তা প্রসস্তকরণের জন্য । এতে আমার নাতনির ৪০ শতক ও ভাইয়ের ১৫ শত ভূমি অধিগ্রহনের আওতায় পড়ে। অধিগ্রহনকৃত ভূমির মূল্য ২৩ লাখ বায়ান্ন হাজার টাকা। ৩২ খতিয়ানের ১২৬৮ দাগে জাহিদুল হকের মালিকিয় কিছু ভূমি রয়েছে। অধিগ্রহনের টাকা প্রদান শুরু হলে জাহিদুল হক প্রতারণার আশ্রয় নিয়ে একই খতিয়ানের নাম্বার ব্যবহার ব্যবহার করে পুরো টাকা হাতিয়ে নেয়। বিষয়টি আমার ভাই দুলা মিয়া জানতে পেরে ফেনীর জেলা প্রশাসক কার্যালয়ের ভূমি অধিগ্রহন শাখায় আপত্তি জানালে জাহিদুল হক ১৫ শত ভূমির ৫ লাখ ১৭ হাজার টাকা ফেরত দেয়। তবে আমার নাতনি প্রতিবন্ধি মাইশার নামে ৪০ শতক ভূমির ১৭ লাখ টাকা ফেরত না দিয়ে আত্মসাত করেন

আমরা এ বিষয়ে সংশ্লিষ্ট কর্তৃপক্ষের কাছে একাধিকবার অভিযোগ দিলেও অভিযুক্ত জাহিদুল হক প্রভাবশালী হওয়ার কারনে কোন প্রতিকার পাচ্ছিনা। টাকা ফেরত পেতে তিনি সংশ্লিষ্ট কর্তৃপক্ষসহ সবার সহযোগীতা কামনা করেন। সংবাদ সম্মেলনে উপস্থিত দুলাল মিয়ার ছেলে সেলিম মিয়া বলেন, প্রতারণার আশ্রয় নিয়ে জাহিদুল হক আমাদের টাকা হাতিয়ে নিয়েছে জানতে পেরে আমরা অধিগ্রহন শাখায় অভিযোগের সাথে ভূমির মালিকানার দলিল প্রদান করি। আমরা প্রকৃত মালিক প্রমানিত হলে আমাদের টাকা ফরত পাই। প্রতিবন্ধি মাইশা সুলতানার পক্ষে কাজ লোক নেই বলে সে তার টাকা ফেরত পাচ্ছেনা। অভিযুক্ত জাহিদুল হক সোনাগাজী উপজেলা জাতীয় পার্টির যুগ্ন সাধারন সম্পাদক। পেশায় একজন দলিল লিখক। তার বিরুদ্ধে আনিত অভিযোগ অস্বীকার করে তিনি বলেন, মাইশার পক্ষে তারা নানা আমার বিরুদ্ধে ভূমি অধিগ্রহন শাখায় লিখিত অভিযোগ করেন। তদন্তে তাদের অভিযোগের সত্যতা পাওয়া যায়নি। স্থানীয় কিছু মানুষের ইন্ধনে তারা আমার বিরুদ্ধে মিথ্যা অভিযোগ করে মানসম্মান ক্ষুন্ন করার চেষ্টা করছে।সোনাগাজী(ফেনী).